
ইংরেজি: Rohu Fish
বৈজ্ঞানিক নাম: Labeo rohita
স্থানীয় নাম: রুই
রুই মাছ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মিঠা পানির মাছ। এটি নদী, পুকুর ও হাওরে চাষ ও প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে এটি দৈনন্দিন খাবার থেকে শুরু করে উৎসবের রান্নায়ও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
আকার: মাঝারি থেকে বড় (১–৫ কেজি বা তার বেশি)
রং: রুপালি-ধূসর, পিঠে গাঢ় শেড
চেহারা: লম্বাটে, চ্যাপ্টা দেহ, বড় আঁশ
মাংস: নরম, সাদা, মাঝারি কাঁটা
স্বাদ: হালকা মিষ্টি ও কোমল
ব্যবহার: ঝোল, কালিয়া, ভুনা, ভাজা, কোরমা
উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ g) | উপকারিতা |
|---|---|---|
প্রোটিন | ১৭–২০ g | পেশি গঠন ও শক্তি |
মোট চর্বি | ৪–৭ g | শক্তি ও পুষ্টি |
ওমেগা-৩ | ~০.২–০.৫ g | হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো |
ভিটামিন D | ~৩–৫ µg | হাড় মজবুত |
ভিটামিন B12 | ~১–১.৫ µg | রক্ত ও স্নায়ু স্বাস্থ্য |
ক্যালসিয়াম | ~২০–৩০ mg | হাড় ও দাঁত |
আয়রন | ~১–২ mg | রক্তস্বল্পতা কমায় |
শরীরের পেশি ও শক্তি বৃদ্ধি করে
হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করে
শিশু ও বয়স্কদের জন্য উপযোগী
সহজপাচ্য ও নিয়মিত খাওয়ার উপযোগী
কাঁটা মাঝারি হওয়ায় খাওয়ার সময় সাবধানতা দরকার
অতিরিক্ত তেল দিয়ে রান্না করলে পুষ্টিগুণ কমে যেতে পারে
দূষিত পানির মাছ হলে ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি
রুই মাছের ঝোল (আলু দিয়ে)
রুই কালিয়া
সর্ষে রুই
দই রুই
ভাজা ও ভুনা
রুই মাছ বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর মিঠা পানির মাছ। সহজলভ্যতা, স্বাদ ও স্বাস্থ্যগুণের জন্য এটি দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।