

820.00৳
Category : seawater fish/crab/prawn
Unit:kg
default:
পার্শে মাছ একটি জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর উপকূলীয় ও আধা-লোনা পানির মাছ। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলীয় এলাকা, নদীর মোহনা, খাল-বিল ও লোনা পানির ঘেরে বেশি পাওয়া যায়। স্বাদে মৃদু, মাংস নরম হওয়ায় এটি অনেকের পছন্দের মাছ।
পার্শে মাছ একটি জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর উপকূলীয় ও আধা-লোনা পানির মাছ। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলীয় এলাকা, নদীর মোহনা, খাল-বিল ও লোনা পানির ঘেরে বেশি পাওয়া যায়। স্বাদে মৃদু, মাংস নরম হওয়ায় এটি অনেকের পছন্দের মাছ।
🌿 মূল বৈশিষ্ট্য:
আকার: ছোট থেকে মাঝারি (২০০–৮০০ গ্রাম সাধারণত)
রং: সবুজাভ-রুপালি, শরীরে কালচে দাগ থাকে
মাংস: সাদা, নরম, অল্প কাঁটা
স্বাদ: হালকা মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত
রান্না: ভাজা, ঝোল, দোপেঁয়াজা, ভুনা ও স্টিম—সব রান্নাতেই উপযোগী
উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ g) | উপকারিতা |
|---|---|---|
প্রোটিন | ১৮–২০ g | পেশি গঠন ও শরীরের শক্তি বৃদ্ধি |
মোট চর্বি | ২–৩ g | কম ফ্যাট, স্বাস্থ্যকর শক্তির উৎস |
ওমেগা-৩ | ~০.৫–০.৮ g | হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী |
ভিটামিন D | ~৫–৬ µg | হাড় মজবুত ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক |
ভিটামিন B12 | ~০.৫ µg | রক্তকণিকা ও স্নায়ু সুরক্ষা |
ক্যালশিয়াম | ~২৫–৩০ mg | হাড় ও দাঁতের জন্য ভালো |
পটাসিয়াম | ~২৮০–৩০০ mg | রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক |
✅ স্বাস্থ্য উপকারিতা:
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক
ডায়েট ও ওজন নিয়ন্ত্রণে উপযোগী
শিশু ও বয়স্কদের জন্য সহজপাচ্য
হাড় ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষা করে
⚠ সতর্কতা:
পার্শে মাছ সাধারণত নিরাপদ ও কম পারদযুক্ত। তবে যাদের মাছের অ্যালার্জি আছে, তারা সতর্ক থাকবেন।
📌 উপসংহার:
পার্শে মাছ সহজলভ্য, সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে এটি একটি স্বাস্থ্যকর প্রোটিনের উৎস হতে পারে।